বাংলারদূত অনলাইন :

নওগাঁর রাণীনগরে ডিশ ব্যবসায়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা গোলাম মোস্তফা (৩৮) ও বজলুর রহমান (৫০) নামে এক ব্যক্তি গুরুত্বর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে রাণীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

গোলাম মোস্তফার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত রাজশাহী মেডিক্যাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় শাহাদৎ হোসেন সাইম (৪০) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় উপজেলায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ছত্রছায়ায় উপজেলায় ডিশ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নেন সায়েম ক্যাবল নেটওর্য়াক। এ নিয়ে সায়েম ক্যাবল নেটওর্য়াকের সাথে নওগাঁর এনডিসি ক্যাবল নেটওয়ার্কের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা গোলাম মোস্তফা এর প্রতিবাদ করেন। এ ঘটনায় ওই প্রভাবশালী নেতার আর্শীবাদপুষ্ট সাইম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা সন্ধ্যায় তার দলবল নিয়ে উপজেলা বরেন্দ্র গেটের সামনে হাসুয়া নিয়ে কুপিয়ে গোলাম মোস্তফাকে গুরুত্বর আহত করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরে দফায় দফায় মহড়াই দেন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ ও উত্তেজিতরা উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর করে। এ সময় বজলুর রহমান নামের এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন জানান, গোলামকে মারপিটের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বেশকিছু লোকজন ইফতারির পূর্ব মুহূর্তে উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসে ঢুকে চেয়ার টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রাণীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জহুরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় উপজেলায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

 

LEAVE A REPLY